সাফল্য বা ব্যর্থতার মাপকাঠিতে BRICS সম্মেলন

Share post:

Date:

নয়াদিল্লিতে ১৮তম BRICS সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছে। এই সম্মেলনের শেষে সদস্য রাষ্ট্রগুলো একটি সম্মিলিত New Delhi Declaration গ্রহণ করেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন, আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বৈশ্বিক শাসনকাঠামো সংস্কারের মতো বিষয়গুলোতে বিশ্বনেতারা ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও তারা কথা বলেছেন। 

তবে সম্মেলনের সফলতার পাশাপাশি BRICS-এর সীমাবদ্ধতাও পরিলক্ষিত হয়েছে। কারণ এর সদস্য দেশগুলোর স্বার্থের ব্যবধান দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। তাই ২০২৬ সালের সম্মেলনকে সরাসরি সাফল্য বা ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন হবে না। তবে এটি সত্য যে, BRICS এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শক্তি হয়ে উঠলেও এখনও একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন BRICS একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকেই এগিয়ে চলেছে।

সম্মেলন ভবনের সামনে নেতাদের গ্রুপ ছবি।

অতীত ও বর্তমানের BRICS 

২০০৯ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনকে নিয়ে BRIC যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্ত হওয়ার পর নাম হয় BRICS। সাম্প্রতিক সম্প্রসারণের ফলে এখন এতে মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়া অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সম্প্রসারণ BRICS-এর ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এর ফলে একটি মৌলিক প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—এত ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থের দেশ কি আসলেই একটি অভিন্ন কৌশল প্রণয়ন করতে পারবে?

চীন ও রাশিয়া পশ্চিমা আধিপত্যের বিপরীতে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে তৈরি করতে বেশি আগ্রহী। অন্যদিকে ভারত ও ব্রাজিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা, Global South-এর প্রতিনিধিত্ব এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের ওপর বেশি জোর দেয়। অর্থাৎ, BRICS-এর যেমন সবচেয়ে বড় শক্তি এর বৈচিত্র্য, তেমনি এর সবচেয়ে বড় দুর্বলতাও হলো এই বৈচিত্র্য।

সম্মেলন ভবন ও নটরাজের ভাস্কর্যের এআই-সম্পাদিত চিত্রায়ণ।

প্রথম সাফল্য: ঐকমত্য বজায় রাখা

নয়াদিল্লি সম্মেলনের অন্যতম প্রধান সাফল্য হলো—এত ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির দেশগুলোকে একত্রিত করে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র গ্রহণ করা।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। একই BRICS টেবিলে ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উপস্থিত রয়েছে। যেখানে ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘাতে লিপ্ত, সেখানে UAE যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে একটি অভিন্ন ভাষ্য  তৈরি করা বেশ কঠিন ছিল।

পরিশেষে ঘোষণাপত্রে সংঘাতের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখার আহ্বান এবং সংলাপ ও

কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনের সময়েই ইরান ও UAE-এর শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকও সম্পন্ন হয়েছে। এটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়, তবে BRICS-এর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য।

ব্রিকসের ব্যানার ও বিভিন্ন দেশের পতাকার দৃশ্য।

ডলারকে প্রতিস্থাপন নয়, বরং নির্ভরতা হ্রাস

BRICS-এর একটি আলোচিত উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আনা। তবে এক্ষেত্রে বাস্তব চিত্রটিও বোঝা প্রয়োজন। BRICS কোনো একক মুদ্রা চালু করেনি। পরিবর্তে সদস্যদের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য, আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং জাতীয় পেমেন্ট নেটওয়ার্কগুলোর সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। New Delhi Declaration-এ cross-border payment interoperability এবং local-currency settlement এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। (BRICS New Delhi Declaration)

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও ডলারের বিকল্প তৈরি করা থেকে এটি অনেক দূরে।

কারণ আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় ডলারের প্রাধান্য কেবল রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং মার্কিন আর্থিক বাজারের গভীরতা, তারল্য এবং বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতার কারণেও বিদ্যমান। সুতরাং BRICS-এর বর্তমান লক্ষ্য সম্ভবত ডলারকে সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং প্রয়োজনে বিকল্প লেনদেনের পথ তৈরি করা।

প্রতিনিধিদের বৈঠকের দৃশ্য

New Development Bank: বাস্তব অর্জন ও সীমাবদ্ধতা

BRICS-এর অন্যতম কার্যকর প্রতিষ্ঠান হলো New Development Bank বা NDB। সদস্য দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অর্থায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, NDB প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলারের ১৩৯টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। 

তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা NDB-এর কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলেছে। পাশাপাশি ব্যাংকটির আর্থিক সক্ষমতা এখনও বিশ্বব্যাংক বা অন্যান্য বড় বৈশ্বিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। অর্থাৎ BRICS প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারলেও, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক বিকল্প শক্তিতে রূপান্তর করার কাজ এখনও বাকি।

বিভিন্ন দেশের নেতাদের একসঙ্গে হেঁটে আসার দৃশ্য।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন সম্ভাবনা

BRICS এখন আর কেবল তেল, বাণিজ্য বা অর্থব্যবস্থা নিয়ে সীমাবদ্ধ নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এখন এর নতুন অগ্রাধিকারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

AI governance, ডিজিটাল অবকাঠামো, উদ্ভাবন এবং Digital Public Infrastructure নিয়ে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এখানেই BRICS-এর প্রকৃত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। চীন AI ও প্রযুক্তিতে অত্যন্ত শক্তিশালী, ভারত সফটওয়্যার ও ডিজিটাল অবকাঠামোয় অগ্রগামী, আর রাশিয়ার রয়েছে বিশাল প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা। এছাড়া অন্যান্য সদস্য দেশগুলোতেও বিশাল বাজার রয়েছে।

তবে প্রশ্ন হলো—ঘোষণা থেকে প্রকৃত প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় কত দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব? এখানেও BRICS-এর ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এর বাস্তবায়নের ওপর।

সবচেয়ে বড় দুর্বলতা: অভ্যন্তরীণ মতভেদ

BRICS-এর সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সদস্যদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক। ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ এবং কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিদ্যমান। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিবিড় হলেও বাণিজ্য ভারসাম্যের প্রশ্নে ভারতের উদ্বেগ রয়েছে।

পাশাপাশি BRICS-এ চীনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এই জোটটি ভবিষ্যতে চীনকেন্দ্রিক হয়ে উঠবে কি না—তা একটি বড় প্রশ্ন।

ভারতের অবস্থান আরও জটিল। ভারত BRICS-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। তাই ভারত BRICS-কে সরাসরি পশ্চিমবিরোধী কোনো জোটে পরিণত করতে চাইবে—এমন সম্ভাবনা খুব কম।

BRICS কি একটি পশ্চিমবিরোধী জোট?

এই প্রশ্নের উত্তরটি সহজ নয়। BRICS-এর অনেক সদস্য পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে এবং Global South-এর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির দাবি জানায়। তবে এর মানে এই নয় যে তারা পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়।

বাস্তবতা হলো—BRICS সদস্যরা পশ্চিমা আধিপত্য কমাতে চাইলেও পশ্চিমের সাথে তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। BRICS-এর প্রকৃত চরিত্র বুঝতে এই পার্থক্যটি বোঝা জরুরি।

তাই BRICS-কে এখনই “Anti-Western Bloc” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে অতিরঞ্জিত। বরং এটিকে একটি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে ক্রমবর্ধমান একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা অধিকতর বাস্তবসম্মত।

BRICS Currency: সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা?

একটি সাধারণ BRICS মুদ্রার বিষয়টি দীর্ঘকাল ধরে আলোচনার বিষয়। তবে এটি এখনো কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে।

সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক গঠন, মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার এবং আর্থিক কাঠামোর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। একটি সাধারণ মুদ্রা চালু করার জন্য যে ধরনের গভীর অর্থনৈতিক সমন্বয় প্রয়োজন, BRICS এখনো সেই স্তরে পৌঁছাতে পারেনি। তাই বর্তমানে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য ও লেনদেন পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটানোই অধিকতর বাস্তবসম্মত উপায়।

ভারতের জন্য এটি কতটা সফল?

ভারতের প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনটি বেশ কিছু কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। নয়াদিল্লি চীন, রাশিয়া, ইরান, UAE এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্মে আলোচনা করতে সক্ষম হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারত তার Global South নেতৃত্বের দাবিও জোরালো করেছে।

বিশেষ করে ভারত-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে শি জিনপিংয়ের সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী পদক্ষেপ। তবে সীমান্ত সমস্যা ও পারস্পরিক আস্থার মতো মৌলিক বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়নি।

ফলে, সম্মেলন আয়োজন ও কূটনৈতিক দক্ষতার বিচারে ভারত সফল হলেও, BRICS-এর অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য দূর হয়েছে—এমনটা বলা যাবে না।

তাহলে এটি কি সাফল্য, নাকি ব্যর্থতা?

BRICS সম্মেলনকে সম্পূর্ণ সফল বা সম্পূর্ণ ব্যর্থ—উভয়টিই বলা ভুল হবে। সাফল্যের দিকটি হলো—সম্প্রসারণের পরেও BRICS বিচ্ছিন্ন হয়নি। বরং ১১টি দেশ একটি যৌথ ঘোষণা গ্রহণ করেছে, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেছে এবং Global South-এর বৃহত্তর প্রতিনিধিত্বের দাবি পুনরায় জানিয়েছে।

সীমাবদ্ধতা হলো—এই রাজনৈতিক ঐক্যকে এখনো শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হয়নি। G7-এর মতো ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সমন্বয় BRICS-এর নেই। সদস্যদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন। ডলারের বিকল্প কোনো পূর্ণাঙ্গ আর্থিক কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি। অর্থাৎ, BRICS-এর সম্ভাবনা বিদ্যমান, কিন্তু এর ক্ষমতা নিয়ে বড় দাবিগুলো এখনো ভবিষ্যতের ওপর নির্ভরশীল।

শেষ কথা: আসল পরীক্ষা এখন

নয়াদিল্লি সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছে। তবে BRICS-এর প্রকৃত পরীক্ষা এখন থেকেই শুরু। এখন দেখার বিষয়, ঘোষণাপত্রে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের যে কথা বলা হয়েছে—তা বাস্তবে কতটা বৃদ্ধি পাবে?

Cross-border payment ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে?

New Development Bank কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠবে?

AI ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কতটা বাস্তব প্রজেক্টে পরিণত হবে?

এবং সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—চীন, ভারত, রাশিয়া, ইরান, ব্রাজিল, UAE-সহ এত ভিন্ন স্বার্থসম্পন্ন দেশগুলো কি দীর্ঘমেয়াদে একটি সম্মিলিত কৌশল তৈরি করতে পারবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই নির্ধারণ করবে BRICS-এর ভবিষ্যৎ।

২০২৬ সালের নয়াদিল্লি সম্মেলনকে “নতুন বিশ্বব্যবস্থার শুরু” বলা হয়তো বাড়িয়ে বলা হবে। আবার একে কেবল কথার সম্মেলন বলাও সঠিক হবে না।

বরং এটি এমন এক সন্ধিক্ষণ, যেখানে BRICS তার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেছে—কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব ক্ষমতায় রূপান্তর করার কাজ এখনো বাকি। BRICS-এর প্রধান সাফল্য হলো—ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থের দেশগুলো এখনো একই টেবিলে সমবেত হতে পারছে।

আর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো— একই টেবিলে বসে একই অভিন্ন পথে চলা। আগামী কয়েক বছরই স্পষ্ট করবে, BRICS কি কেবল একটি বড় জোট হয়ে থাকবে, নাকি সত্যিকার অর্থে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সাবস্ক্রাইব

spot_img

সম্পাদকের নির্বাচিত

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

যুক্তরাজ্য কি ভেঙে যাওয়ার পথে?

২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কার্ডিফে ব্রিটেনের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক...

ট্রাম্পের বেড়ে ওঠা

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন একটা পুনর্বিন্যস্ত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা চান যেখানে...