মহরমের ঐতিহ্য অনুসন্ধান : গবেষণা ও তথ্য

Date:

ঢাকায় মহররম বা আশুরার তাজিয়া মিছিলের ইতিহাস প্রায় চারশত বছরের পুরোনো। এটি কেবল একটি ধর্মীয় শোকাবহ অনুষ্ঠানই নয়, বরং পুরান ঢাকার একটি অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। মুঘল আমল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই মিছিলের বিবর্তন ও ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

মহররমের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বের মূল কারণ হলো হিজরি ৬১ সনের ১০ই মহররম (৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ এবং ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.)-এর শাহাদাত।
​তবে এই ট্র্যাজেডির পেছনে ছিল তৎকালীন মুসলিম সাম্রাজ্যের গভীর রাজনৈতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব।

ইসলামের ইতিহাসে একে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে ন্যায় ও সত্যের লড়াইয়ের এক চিরন্তন প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
​নিচে এই ঐতিহাসিক কারণগুলোর একটি ধারাবাহিক বিবরণ দেওয়া হলো:

আশুরার তাজিয়া মিছিলে কালো পতাকা, আলম ও প্রতীকী তাজিয়া নিয়ে পুরান ঢাকার সড়কজুড়ে এগিয়ে যান অংশগ্রহণকারীরা। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মিছিল কারবালার আত্মত্যাগ ও শোকের স্মৃতি বহন করে।
ছবি: সংগৃহীত

১. খেলাফতের রূপান্তর ও রাজনৈতিক পটভূমি

​ইসলামের প্রথম চার খলিফার (খুলাফায়ে রাশেদীন) সময় পর্যন্ত খলিফা নির্বাচনের ভিত্তি ছিল জনগণের সম্মতি ও পরামর্শ (শুরা)। কিন্তু চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর শাহাদাতের পর এবং পরবর্তীতে হযরত হাসান (রা.)-এর সাথে চুক্তির মাধ্যমে দামেস্কের শাসনকর্তা আমীর মুয়াবিয়া (রা.) মুসলিম জাহানের খলিফা হন।
​তিনি তাঁর মৃত্যুর আগে ছেলে ইয়াজিদকে পরবর্তী শাসক হিসেবে মনোনীত করেন। এর ফলে ইসলামের ‘খেলাফতের’ (গণতান্ত্রিক বা পরামর্শভিত্তিক শাসন) চরিত্র বদলে গিয়ে তা ‘রাজতন্ত্রে’ (বংশানুক্রমিক শাসন) রূপ নেয়, যা মদিনা ও মক্কার অনেক বিশিষ্ট সাহাবী ও সাধারণ মুসলমান মেনে নিতে পারেননি।

২. ইয়াজিদের আনুগত্য (বায়াত) অস্বীকার

​ইয়ামিনের শাসক হিসেবে ইয়াজিদ সিংহাসনে আরোহণের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল মক্কার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, বিশেষ করে হযরত আলী (রা.) ও ফাতেমা (রা.)-এর কনিষ্ঠ পুত্র এবং রাসুল (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.)-এর আনুগত্য বা ‘বায়াত’ লাভ করা।
​ইমাম হোসেন (রা.) ইয়াজিদের আনুগত্য করতে পরিষ্কার অস্বীকৃতি জানান। এর প্রধান কারণ ছিল দুটি:
​আদর্শিক কারণ: ইয়াজিদের শাসনব্যবস্থা ইসলামের মৌলিক ন্যায়বিচার, সততা ও শরিয়তের নিয়মনীতি থেকে বিচ্যুত ছিল।
​পদ্ধতিগত কারণ: রাজতান্ত্রিক উপায়ে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল ইসলামের খেলাফতের মূল চেতনার পরিপন্থী ছিল।

​৩. কুফাবাসীদের আমন্ত্রণ ও কারবালার পথে যাত্রা

এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে বর্তমান ইরাকের কুফা শহরের জনগণ ইমাম হোসেন (রা.)-এর কাছে শত শত চিঠি পাঠায়। তারা ইয়াজিদের শাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং ইমাম হোসেনকে কুফায় এসে মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব নেওয়ার আহ্বান জানায়। তারা প্রতিজ্ঞা করে যে, ইমাম কুফায় আসলে তারা তাঁর পক্ষে লড়াই করবে।
​কুফাবাসীদের আন্তরিকতা যাচাই করতে ইমাম হোসেন তাঁর চাচাতো ভাই মুসলিম বিন আকিলকে সেখানে পাঠান। মুসলিম বিন আকিল কুফায় পৌঁছে ব্যাপক জনসমর্থন দেখে ইমামকে আসার জন্য চিঠি লেখেন। কিন্তু এর পরপরই ইয়াজিদের নিযুক্ত নতুন গভর্নর উবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদ কুফায় কঠোর দমনপীড়ন চালান। ভয়ের মুখে কুফার জনগণ মুসলিম বিন আকিলকে পরিত্যাগ করে এবং জিয়াদ তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেন।
​এদিকে কুফার এই পটপরিবর্তনের খবর পাওয়ার আগেই ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর পরিবার, নারী, শিশু এবং অনুসারীসহ (মোট প্রায় ৭২ জন) মক্কা থেকে কুফার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান।

৪. কারবালার অবরোধ ও ট্র্যাজেডি

ইরাকের সীমানায় পৌঁছানোর পর ইমাম হোসেন জানতে পারেন যে কুফাবাসীরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইতিমধ্যে ইয়াজিদের ৪ হাজার সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী হুর বিন ইয়াজিদের নেতৃত্বে ইমামের কাফেলাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং মরুভূমির কারবালা নামক প্রান্তরে তাঁবু গাড়তে বাধ্য করে। এটি ছিল ৬১ হিজরির দোসরা মহররম।

পানি বন্ধ (৭ই মহররম): গভর্নর জিয়াদের নির্দেশে ফোরাত নদীর তীর অবরুদ্ধ করে ইমাম হোসেনের শিবিরের জন্য পানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মরুভূমির তীব্র গরমে ইমামের পরিবার, এমনকি দুগ্ধপোষ্য শিশুরাও তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়ে।

আপসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান: ইয়াজিদের সেনাপতি উমর বিন সা’দ ইমামকে শর্তহীন আত্মসমর্পণ ও ইয়াজিদের বায়াত নেওয়ার চাপ দেয়। ইমাম হোসেন (রা.) অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সাহসিকতার সাথে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেছিলেন:
​”ইয়াজিদের মতো একজন পাপাচারীর আনুগত্য করার চেয়ে সম্মানের মৃত্যু অনেক শ্রেয়।”

​৫. ১০ই মহররম: রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও শাহাদাত

১০ই মহররম (আশুরা) সকালে যুদ্ধ শুরু হয়। একদিকে ইয়াজিদের হাজার হাজার সুসজ্জিত সৈন্য, অন্যদিকে ইমামের পক্ষে মাত্র ৭২ জন তৃষ্ণার্ত কিন্তু অকুতোভয় যোদ্ধা।
একে একে ইমামের ভাই, সন্তান, ভাতিজা (হযরত কাসেম, হযরত আলী আকবর, ছয় মাসের শিশু আলী আসগর) এবং বিশ্বস্ত সঙ্গীরা বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। সবশেষে ইমাম হোসেন (রা.) নিজে বীরের মতো লড়াই করতে করতে শিমার ইবনে জিলজুশানের হাতে অত্যন্ত নির্মমভাবে শহীদ হন। ইয়াজিদ বাহিনী ইমামের পবিত্র মস্তক কেটে দামেস্কে পাঠায় এবং তাঁর পরিবারের বেঁচে যাওয়া নারীদের বন্দী করে।

​ইতিহাসের শিক্ষা ও তাৎপর্য

মহররমের এই ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য কেবল একটি যুদ্ধ বা রাজপরিবারের ট্র্যাজেডি নয়। মুসলিম উম্মাহর কাছে এটি ন্যায়, সত্য ও আত্মত্যাগের এক শাশ্বত প্রেরণা। ইমাম হোসেন (রা.) জানতেন এই যুদ্ধে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, তবুও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ নিজের জীবন ও পরিবারের রক্ত বিসর্জন দিয়েছেন, যাতে ইসলামের মূল আদর্শ ও চেতনা চিরতরে হারিয়ে না যায়। এই কারণেই প্রতি বছর মহররম মাসে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা (বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায় এবং সুন্নিদের একটি বড় অংশ) অত্যন্ত শোক ও শ্রদ্ধার সাথে এই ত্যাগকে স্মরণ করে।



ঢাকার মহররমের মিছিলের ইতিহাসকে প্রধান কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করে দেখা যায়:

পুরান ঢাকায় আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালান এলাকা থেকে বের হওয়া তাজিয়া মিছিলে অংশ নেন হাজারো মানুষ। কারবালার শোক স্মরণে কালো পোশাক, পতাকা ও আলম নিয়ে মিছিলে যোগ দেন শোকাহত মুসল্লিরা।
ছবি: সংগৃহীত

১. মুঘল আমল ও গোড়াপত্তন

ঢাকায় মহররম উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় মুঘল আমলে। ১৬০৮ সালে ইসলাম খান চিশতি ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করার পর থেকেই এখানে শিয়া সংস্কৃতির প্রভাব পড়তে শুরু করে।

বিবি কা রওজা ও হোসেনি দালান: ১৬০০ সালে সূত্রাপুরে নির্মিত হয় ‘বিবি কা রওজা’ (হযরত ফাতেমা রা.-এর স্মৃতিগৃহ)। পরবর্তীতে ১৬৪২ সালে সুবেদার শাহ সুজার সময়ে নওয়ারা মহলের দারোগা মীর মুরাদ স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে পুরান ঢাকায় ঐতিহ্যবাহী হোসেনি দালান ইমামবারা নির্মাণ করেন। এই হোসেনি দালানই কালক্রমে ঢাকার মহররম ও তাজিয়া মিছিলের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

মুঘল শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা: মুঘল সুবেদার এবং পরবর্তীতে নায়েব নাজিমরা শিয়া মতাবলম্বী বা শিয়া সংস্কৃতির অনুরাগী হওয়ায় রাষ্ট্রীয়ভাবে মহররমের মিছিলে বিপুল অর্থ ব্যয় ও জৌলুস তৈরি করা হতো।

​২. নবাবী আমলের জৌলুস

আঠারো ও উনিশ শতকে ঢাকার নায়েব নাজিমদের আমলে মহররমের মিছিল এক বিশাল সামাজিক উৎসবে রূপ নেয়। উনিশ শতকের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী আলম মুসাওয়ারের আঁকা জলরঙের ছবিগুলোতে সেই সময়ের মহররমের মিছিলের এক জীবন্ত রূপ পাওয়া যায়।

মিছিলের বহর: সেই সময়ের মিছিলে সুসজ্জিত হাতি, উট, ঘোড়া, বড় বড় নিশানা বা পতাকা, এবং জাঁকজমকপূর্ণ পালকি থাকত। নায়েব নাজিম নিজে হাতির পিঠে চেপে মিছিলে নেতৃত্ব দিতেন। তাঁর পেছনে থাকত সাধারণ মানুষ, ফকির, দরবেশ এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তারাও।

তিনটি প্রধান মিছিল: ঐতিহাসিকভাবে আশুরার মূল দিনের আগে পরে তিনটি প্রধান মিছিল বা ‘জলুস’ বের হতো:
১. ৮ মহররমের ‘শামরাত কি মিছিল’ বা সন্ধ্যার মিছিল।
২. ৯ মহররমের ‘ভোররাত কি মিছিল’।
৩. ১০ মহররম সকালের মূল ‘মঞ্জিলের মিছিল’ বা তাজিয়া মিছিল।

৩. সর্বজনীন সাংস্কৃতিক রূপ ও ঐতিহ্য

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন এবং জেমস টেলরের বিবরণ থেকে জানা যায়, পুরান ঢাকার মহররমের মিছিল কখনোই কেবল শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এতে সুন্নি মুসলমান এবং হিন্দু সম্প্রদায়ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিত।
​একসময় ঢাকার তিনটি বড় মিছিলকে শহরের মূল গণ-উৎসব মনে করা হতো: ঈদের মিছিল, জন্মাষ্টমীর মিছিল এবং মহররমের মিছিল। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে মানুষ রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে এই মিছিল দেখত।

লাঠিখেলা ও আখড়া: মহররমের চাঁদ উঠলে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মহল্লায় (যেমন: বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, উর্দূ রোড) ‘আখড়া’ বসত। সেখানে কারবালার যুদ্ধের প্রতীকী হিসেবে তরবারি খেলা, লাঠিখেলা, বর্শা এবং অগ্নিগোলকের চরকি ঘোরানোর কসরত দেখানো হতো।

​দুলদুল ও তাজিয়া: কারবালার যুদ্ধে ইমাম হোসেনের ব্যবহৃত ঘোড়া ‘দুলদুল’-এর প্রতীকী হিসেবে একটি সাদা তেজী ঘোড়াকে সাজিয়ে মিছিলে নেওয়া হতো। সঙ্গে থাকত রঙিন কাগজ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি গম্বুজাকৃতির সুদৃশ্য ‘তাজিয়া’ (ইমাম হোসেনের সমাধির প্রতীক)।

মহররমের মেলা: মহররম উপলক্ষে হোসেনি দালান, আজিমপুর ও বকশীবাজারে বিশাল মেলা বসত। বিশেষ করে আজিমপুরের মেলাটি ছিল সবচেয়ে বড়, যেখানে মাটির তৈজসপত্র, বাঁশ-কাঠের খেলনা এবং নানা পদের মিষ্টি বিক্রি হতো।

৪. বর্তমান প্রেক্ষাপট ও তাজিয়া মিছিলের রুট

কালের বিবর্তনে নায়েব নাজিম বা নবাবদের সেই রাজকীয় জৌলুস হয়তো কমে এসেছে, কিন্তু পুরান ঢাকাবাসীর আবেগ ও ঐতিহ্য এখনো টিকে আছে।
​বর্তমানে ১০ মহররম সকালে হোসেনি দালান থেকে মূল তাজিয়া মিছিলটি বের হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন কালো পোশাক পরে, ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ মাতম ও বুক চাপড়ে কারবালার শোক প্রকাশ করেন। মিছিলটি পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোড, চকবাজার, নবাবপুর হয়ে ধানমণ্ডি লেকের পাড়ে কৃত্রিমভাবে তৈরি ‘কারবালা’ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে তাজিয়া বিসর্জন এবং বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে।
​নিরাপত্তার স্বার্থে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিছিলের রুট ও লাঠি বা তলোয়ারের ব্যবহারে কিছু কড়াকড়ি আনা হলেও, ঢাকার ৪০০ বছরের পুরোনো এই বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আজো পুরান ঢাকার ইতিহাসের এক অনন্য স্মারক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

সাবস্ক্রাইব

spot_img

সম্পাদকের নির্বাচিত

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

সমুদ্রের গভীর নীলে লাল-সবুজ পতাকা: ডাইভমাস্টার মোশাররফ হোসেন সাগরের নির্ভীক জীবনের গল্প

মোশাররফ হোসেন সাগর। বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। গ্রাম দক্ষিণ চরমসুর। পিতা...

ওয়াইল্ডফ্লাওয়ারিং : বুনো ফুল যেভাবে ফোটে

বেশিরভাগ সময় আমাদের জীবনের প্রেম ভালবাসার যে সাংস্কৃতিক তাৎপর্য...

স্ত্রীর চোখে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

মানব চক্রবর্তী: কত বছর বয়সে আপনার বিবাহ হয়েছিলো? কমলা বন্দ্যোপাধ্যায়:...

খনিয়াদিঘী মসজিদের কথা

https://youtu.be/D9lqBVlUNxw বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর একটি হলো খনিয়া দীঘি মসজিদ। এই...