মেসি আরেকবার…

Date:

লিওনেল স্কালোনি, আর্জেন্টাইন কোচ। তিনি গত বৃহস্পতিবার ২০২৬ বিশ্বকাপ দলে লিওনেল মেসিকে যুক্ত করেছেন। অবশ্য স্কালোনির অধিনায়ক “পুরোপুরি ফিট” নন। এই দুই খবরের কোনোটিতেই খুব একটা আশ্চর্য হওয়ার কথা নয় ফুটবলের খবর রাখা আগ্রহী জনের। সকলেই এমন আশা করেছিলেন, আর্জেন্টাইন টিমের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে মেসি দলের অংশ হবেন। আবার তাঁর শারীরিক অবস্থার দুর্বলতার বিষয়টিও আগে থেকেই অনুমেয় ছিল।

মেসির বয়স এখন ৩৮ বছর।  চলতি মাসের শেষের দিকে তিনি ৩৯ বছরে পা দেবেন। তাই ইন্টার মায়ামির মাধ্যমে যখন জানা গেল, তিনি বর্তমানে বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে অতিরিক্ত চাপের জন্যে পেশির ক্লান্তিতে ভুগছেন, তখন এটি মোটেও কোনো বড় খবর ছিল না। গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ওই নির্দিষ্ট পায়ের ওপর দিয়ে প্রচুর ধকল গেছে।

তাই একটি প্রশ্ন তোলা বেশ যৌক্তিক। প্রশ্নটি হলো: যেখানে বেশিরভাগ ফুটবলার ইতিমধ্যেই অবসর নিয়ে নিয়েছেন, সেখানে মেসি কেন এখনও নিজের শরীরকে একদম শেষ সীমার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন? এমন তো নয় যে তাঁর নতুন করে কিছু প্রমাণ করার বা পাওয়ার বাকি আছে। কাতার বিশ্বকাপে গত আসরটি জিতে তিনি মূলত ফুটবলকে কেন্দ্র করে তাঁর স্বপ্ন ‘সম্পূর্ণ’ করে ফেলেছেন। মাঠে প্রাধান্য বিস্তার করে তিনি সর্বকালের সেরা তথা ‘গ্রেটেস্ট অফ অল টাইমস’ বিতর্কের চির অবসান ঘটিয়েছেন।

তাহলে, ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মেসির কি সত্যিই নতুন কোনো প্রত্যাশা আছে? অথবা  জীবন্ত কিংবদন্তি মেসি এখন এতটাই নিশ্চিত যে তিনি মনে করছেন তাঁর হারানোর আর কিছুই নেই?

বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কখন শেষ হবে সেই সুনির্দিষ্ট সময় নিজে বেছে নেওয়ার সুযোগ পান না। এই সিদ্ধান্তটি সাধারণত তাদের হাতের বাইরে চলে যায়। প্রায়ই একজন কোচ ঠিক করেন। ব্যথা বা চোট পাওয়ার কারণেও অবসরে যেতে বাধ্য হন খেলোয়াড়। এমনকি যারা নিজেরা এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ভাগ্যবান, একদম চূড়ায় থেকে বিদায় নেওয়ার সৌভাগ্য হাতে গোণা অল্প কয়েকজন অর্জন করেন। তবে মেসি বিশ্বকাপের ট্রফি জেতার পর ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অবস্থানে থেকে অবসরে যেতে পারতেন। এই ট্রফি উঁচু করে ধরাই সর্বদা তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল। খেলার সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের দেশকে জিতিয়ে দিয়েগো ম্যারাডোনার সমান হতে না পারাকে দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে আঘাত করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে, ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে শেষ ১৬ থেকে আর্জেন্টিনার বিদায়ের পর যখন মনে হচ্ছিল মেসির “শৈশবের স্বপ্ন” বুঝি ধ্বংস হয়েছে, ঠিক তখনই কাতার বিশ্বকাপে এক সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তিনি তা সত্যি করে দেখালেন।

২০২২ সালে মেসি যা করেছিলেন তা পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেও পাত্তা দেয়নি। সে সময় তার বয়স ছিল ৩৫ বছর, তবুও তিনি তার চেয়ে ১৫ বছরের ছোট খেলোয়াড়দের নাস্তানাবুদ করেছিলেন। অতোটা জুনিয়র গভার্দিওল এই অভিজ্ঞতায় লজ্জিত হওয়ার চেয়ে নিজেকে সম্মানিত মনে করেছিলেন। লুসাইলে আর্জেন্টিনার কাছে ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনাল হারের পর এই ডিফেন্ডার বলেছিলেন, “আগামীকাল বাচ্চাদের বলতে পারব  ৯০ মিনিট ধরে মেসিকে মার্ক করা মানুষটি তোমাদের বাবা।” গভার্দিওল শুধুমাত্র প্রতিপক্ষ ছিলেন না। তিনি এমন একজন খেলোয়াড়ের সাথে মাঠ ভাগ করে নিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেছিলেন, যার প্রতিভা বাস্তব বলে বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল। অস্ট্রেলিয়ার কিয়ানু ব্যাকাস স্বীকার করেছিলেন, “মাঠে তাঁকে অবাস্তব মনে হয়। তিনি আসলে কতটা ভালো, তা ভাবলে অবিশ্বাস্য লাগে।” মেসির এই চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সগুলো আরও বেশি অসাধারণ হয়ে উঠেছিল কারণ এগুলোর জন্ম অবিশ্বাস্য চাপের মুখে। টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে কাতারে আসার পর, কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা তাদের টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় সৌদি আরবের কাছে হারের মুখোমুখি হয়। এর ফলে তারা দ্রুত বিদায় নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল।  এই ঘটনার অর্থ মেসির অধিনায়কত্বের যোগ্যতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন তোলা।

যখন তাঁর দেশের তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, মেসি আর্জেন্টিনার সেই ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া উপায় নেই এমন ম্যাচে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের জন্ম দেন। তারপর আর্জেন্টাইনরা ১৯৮৬ সালের পর তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পথে মেসিই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাজিকাল সব কাজ করেন ৷ গ্রুপ পর্ব, শেষ ১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে গোল করার ইতিহাস গড়েন। এসব ছিল একেবারেই মানানসই। কেন না ম্যারাডোনার পর আর কোনো একক খেলোয়াড় ফাইনাল খেলায় এতো খানি আধিপত্য বিস্তার করতে পারেননি। আট ম্যাচে নিজের পঞ্চম ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারটি হাতে নেওয়ার পর, মেসি এর চেয়ে হ্যাপি এন্ডিং আর আশা করতে পারতেন না। যেন একেবারে খাঁটি হলিউডি সিনেমা। এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁকে সেই নায়কের মতো মনে হচ্ছিল যে বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে তার ভালোবাসাকে খুঁজে পেয়েছে। ট্রফিটি ধরে রেখে তিনি টিওয়াইসি-কে বলেন, “আশ্চর্য এক উন্মাদনা, দেখুন সে কত সুন্দর! আমি তাকে কতটা চেয়েছিলাম। আমার মনে একটা স্বপ্ন ছিল যে এবার সে ধরা দেবেই, সে ক্রমশ কাছে আসছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমি ভাগ্যবান যে এই ক্যারিয়ারে সবকিছু অর্জন করতে পেরেছি এবং যার অভাব ছিল তা এখন হাতে ধরে আছি। আমি এটি দিয়েই আমার ক্যারিয়ার শেষ করতে চেয়েছিলাম। ঈশ্বরের কাছে আমি আর কিছু চাইতে পারি না, তিনি আমাকে সবকিছু দিয়েছেন।” তবুও মেসি এখানেই বিদায় না নিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বিশ্বকাপটি নিজের হাতের মুঠোয় পেতে এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর, মেসি যে এটি হাতছাড়া করার জন্য কোনো তাড়াহুড়ো করবেন না, তা হয়তো সকলের জানা ছিল। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফাইনাল ম্যাচের উত্তেজনার পর দেশের দর্শকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনাদের সাথে আনন্দ উদযাপন করতে আমি ট্রফিটি আর্জেন্টিনায় নিয়ে যাচ্ছি। আমি খেলতে ভালোবাসি,ভালোবাসবো। জাতীয় দলে থাকতে ভালোবাসি এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে আরও কিছু খেলা চালিয়ে যেতে চাই।” এই অধিকারটুকু অবশ্যই তাঁর ছিল। নিজের গৌরবের এই মুহূর্তটির জন্য তিনি তাঁর সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন। এই সাফল্যে ভেসে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার তাঁর ছিল। তবে পরে যা ঘটেছিল, তা কেবলই কোনো আনুষ্ঠানিক উদযাপনের বৃত্তে সীমাবদ্ধ ছিল না। দ্রুতই এটি স্পষ্ট হয়ে যায়, মেসি আরও পদক চান। মাঠ থেকে চলে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে তাঁর ছিল না। তাঁর জেতার অদম্য ইচ্ছা আগের মতোই শক্তিশালী ছিল। তবে, মেসির আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার মূল কারণ ছিল, তিনি চাপমুক্ত হয়ে ফুটবল খেলাটি দারুণভাবে উপভোগ করছিলেন।

বিশ্বকাপ জয় স্বাভাবিকভাবেই মেসির জন্য সবকিছু বদলে দিয়েছে। স্বয়ং ম্যারাডোনা যখন মেসিকে নিজের উত্তরসূরি ঘোষণা করেছিলেন, তখন থেকেই তাঁর কাঁধে যে বিশাল মানসিক চাপ ছিল, এই জয় তা দূর করে দিয়েছে। বিজয় তাঁকে মুক্ত করেছে। তবে মেসি নিজেই প্রথম স্বীকার করেছিলেন যে, কাতারে তাঁর ব্যক্তিগত নৈপুণ্য যতই থাকুক না কেন, এটি মূলত একটি দলীয় প্রচেষ্টা  ছিল, এই কারণেই এই আয়োজন তাঁর কাছে এত মূল্যবান ছিল। লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে, মেসি কোনো কোচ বা খেলোয়াড়দের দলের সাথে এত গভীর বন্ধন কখনো অনুভব করেননি। গত ডিসেম্বরে ইএসপিএন-কে মেসি বলেছিলেন, “আমার মনে হয় প্রথম দিন থেকেই তিনি একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করেছিলেন। আর খেলা নিয়ে তাঁর ভাবনা বা রণকৌশলের বাইরেও তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ হলো দলের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা।” “তিনি যেভাবে খেলোয়াড়দের সাথে আচরণ করেন, যেভাবে প্রত্যেকের সাথে সংযোগ তৈরি করেন তা অসাধারণ। কারণ তিনি সবাইকে ব্যক্তি হিসেবে চেনেন এবং কার সাথে কীভাবে কথা বলতে হবে তা জানেন। তিনি নিজেই এই দলটি গড়ে তুলেছেন। নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে এসেছেন। এমনকি এমন খেলোয়াড়দেরও এনেছেন যারা আর্জেন্টিনা ফুটবলে তেমন পরিচিত ছিল না।” “আমরা একটি চমৎকার দল যারা একে অপরের সাথে খুব ভালো মিলেমিশে থাকি। কিন্তু অনুশীলনের খেলা বা নির্দিষ্ট ড্রিলের সময় যদি কঠোর হতে হয়, তবে তারা কঠোরই হয়। প্রত্যেকে নিজের সেরাটা দেয়, আর এটাই এই দল এবং এই জাতীয় দলের একটি বড় শক্তি।” ” স্কালোনি এবং তাঁর কোচিং স্টাফ এই সবকিছু তৈরি করেছেন। প্রতিদিনের এই সুন্দর পরিবেশ তাঁদের কারণেই তৈরি হয়েছে।” মেসি স্বভাবজাত ভাবেই এখানে নিজের ভূমিকা পালন করেছেন।

অধিনায়কত্ব নিয়ে যত সমালোচনাই হোক না কেন, মেসি বছরের পর বছর ধরে একজন নেতা হিসেবে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন। একসময় যিনি মুখচোরা স্বভাবের ছিলেন এবং পায়ের জাদুতেই কথা বলতে পছন্দ করতেন। তিনি ম্যাচের পর ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার প্রতিপক্ষের দিকেও কথার তীর ছুঁড়তে দ্বিধা করেননি। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের এই রূপটি আমাদের অধিকাংশেরই আগে কখনো দেখা ছিল না, কিন্তু তাঁর সতীর্থরা তা দেখেছিলেন। এই জন্যে মেসি আরো বেশি ভালোবাসা পেয়েছিলেন। এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ফুটবলারদের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, তাঁরা হলেন “মেসির জন্য লড়াই করা সিংহ”। অন্যদিকে হুলিয়ান আলভারেজ গত কোপা আমেরিকার আগে স্বীকার করেছিলেন, পুরো দল তাঁদের প্রিয় অধিনায়ককে পাশে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। কারণ তিনি সাথে থাকলে সবকিছু আরও ভালো হয়ে যায়। আর্জেন্টিনা মূলত একটি সহোদরপ্রতিম ভাইদের দলে পরিণত হয়েছিল। অথবা অনন্য হোর্হে ভালদানো যেভাবে বলেছিলেন, এটি যেন ফুটবল মাঠের ‘ওশানস ইলেভেন’। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভালদানো ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে বলেন, “আমি খেলোয়াড়দের বাস থেকে নামার একটি ছবি দেখেছিলাম; মেসি সবার সামনে, বাকিরা তাঁর পেছনে দুই পাশে ত্রিকোণাকারে দাঁড়িয়ে আছে৷ এই দৃশ্যের একটি প্রতীকী মূল্য রয়েছে যা না বললেও চলে, কিন্তু তা দিয়ে বোঝা যায় আর্জেন্টিনা দলটা আসলে কী।” “আপনি এখন লিওর চোখে-মুখে যে আনন্দ দেখছেন, তা হলো তিনি এখন মানসিক চাপ থেকে মুক্ত।” ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি খেলা চালিয়ে যাবেন কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। 

সব মিলিয়ে, ২০২৪ কোপা আমেরিকায় মেসির যাত্রা ইনজুরির কারণে ব্যাহত হয়েছিল; তাঁর বিশ্বকাপও তেমন হতে পারত। তবে স্কালোনির জন্য মেসিকে দলে রাখাটা খুবই স্বাভাবিক একটি সিদ্ধান্ত। ৩৮ বছর বয়সেও তিনি গোল করছেন এবং এমন সব পাস দিচ্ছেন যা অন্য কেউ কল্পনাও করতে পারে না।বাস্তবে রূপ দেওয়া তো দূরের কথা। পাশাপাশি দলের বাকিদের ওপর তাঁর যে প্রভাব, স্কালোনির মতে তেমনটি তিনি আগে কখনো দেখেননি। আর এ কারণেই ২০২২ সালের দিকেই স্কালোনি ২০২৬ সালের স্কোয়াডে মেসির জন্য একটি জায়গা তুলে রাখার কথা বলেছিলেন। কিছু মহলে অবশ্য একটা ভয় রয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে গিয়ে মেসি হয়তো তাঁর বহুরঙা অতীতকে কিছুটা ম্লান করার ঝুঁকিতে আছেন। কিন্তু সেটি কীভাবে সম্ভব, তা বোঝা কঠিন। তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো নন তিনি, মেসি ইতিমধ্যে বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছেন। তিনি আগে যা অর্জন করেছেন, তার গুরুত্ব কোনো কিছুই কমাতে পারবে না। চার বছর আগেই তিনি ফুটবলের সকল কিছুর পূর্ণতা দিয়েছেন। এখন তিনি কেবল খেলা উপভোগ করছেন।

গোল ডট কম অবলম্বনে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

সাবস্ক্রাইব

spot_img

সম্পাদকের নির্বাচিত

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

কুরাসাও যদি চমকে দেয়?

কুরাসাও। আয়তন ৪৪৪ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা দুই লাখের কম।...

একটি প্লাস্টিকের শিল্ড

আব্বু আমাদের দুই ভাইকে দুই হাতে বুকের ভেতর জড়িয়ে...

ভিনি : ব্রাজিলের শেষ ভরসা?

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রতিজ্ঞা করেছিলেন - দরকারে দশ গুণ বেশি...

বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ত্রিয়ন্ডা

এইবার ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল হিসাবে এমন একটি বলকে...