শিলাইদহঃ প্রসঙ্গ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র একাডেমী ও পর্যটন কেন্দ্র

Date:

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। তাঁর প্রাণকেন্দ্র কুমারখালী। কুমারখালী নামের উৎপত্তি কমরকলি ফেদার (ওক পাখির পালক) থেকে আবার শোনা যায়, তৎকালীন খাজনা আদায়কারী সুবেদার কমর কুলীর নাম থেকে হয় কুমারখালীর নাম। নামে কি আসে যায়! এ মাটির সোঁদা গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে অনেক মণীষীদের আগমন ঘটে এখানে। বাউল সম্রাট লালন শাহ, কথাসাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন, বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র ‘গ্রামবার্ত্তা’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সাংবাদিক কাঙাল হরিনাথ মজুমদার, ব্রিটিশ বিরোধী যুগান্তরের নেতা বিপ্লবী বাঘা যতীন, জলধর সেন, আকবর হোসেন, ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়- এমন মানুষদের জন্মভূমি।

নিভৃতপল্লী শিলাইদহের কুঠিবাড়ী ১৮০০ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথের প্রপিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুরের নামে ক্রয় করেন ঠাকুরবাড়ীর জমিদার। এরপরের ইতিহাস কম বেশী অনেকের জানা। রবীন্দ্রনাথ ‘ছিন্নপত্রে’ ১৮৭১ সালে তাঁর দাদার সাথে রেলগাড়ীতে চড়ে প্রথমে কুষ্টিয়ায় ও পরে শিলাইদহে আসার কথা উল্লেখ করেছেন এবং ১৮৯২ সালে শিলাইদহের জমিদারী ভার গ্রহণ করেন। সেই ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি নগরী কুমারখালীর মাটিতে রবীন্দ্রনাথের পূর্বাপর জমিদারী সূত্রে প্রথম শিলাইদহে আসলেও চারণভূমি হিসেবে পরবর্তীতে ১৮৮৯-১৯১০ সাল টানা ১০-১২ বছর এবং পরবর্তীতে ১৯২১-১৯২২ সালেও শিলাইদহের মাটির জনসংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হয়ে বসবাস করে অনেক মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।

এই মাটিতে বসে ‘সোনার তরী’ ‘চিত্রা’ চৈতালী’, ‘কল্পনা’, ‘কণিকা’, ‘কাহিনী’, ‘ক্ষণিকা’, ‘খেয়া’, ‘নৈবেদ্য’ এবং ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের বহু মূল্যবান কবিতা ও উপন্যাস ‘চোখের বালি’, ‘গোরা’, ‘চতুরঙ্গ’, ‘ঘরে বাইরে’, তাছাড়া দশটি গল্প। গীতাঞ্জলির অধিকাংশ গান ‘গীতিমাল্য, ‘গীতবিতান’। নাটক ‘গোড়ায় গলদ’, ‘ চিরকুমার সভা’, ‘চিত্রাঙ্গদা, ‘রাজা’,  ‘অচলায়তন’, প্রবন্ধ ‘পঞ্চভূত’, ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’। পত্রাবলীঃ ‘যূরোপ যাত্রীর ডায়েরী’, ভানু সিংহ ঠাকুরের পত্রাবলী, ‘ছিন্নপত্র’, জীবনীঃ ‘জীবন স্মৃতি’ রচনা করেন। এই মাটির বাউল কবি বাউল সম্রাট লালন শাহ, গগন হরকরা, কাঙাল হরিনাথ সহ নাম না জানা বাউল কবিদের সংস্পর্শে কবি সত্যিকার অধ্যাত্মবাদ সম্পর্কে জ্ঞাত হলেন। সে জন্য তিনি নিজেই বলেন,“ আমার জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে অনেক গানে আমি বাউলের সুর গ্রহণ করেছি।” আমাদের জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” শিলাইদহ ডাকঘরের পিয়ন গগন হরকরার “আমি কোথায় পাবো তারে-আমার মনের মানুষ যেরে” গানের সুরে রচিত।

এছাড়া বাউল বাতাসের স্পর্শে আরো অনেক বিখ্যাত লেখা ও গান লিখেছেন। “ও আমার দেশের মাটি” “যদি তোর ডাক না শুনে কেউ না আসে” সহ অসংখ্য দুর্লভ গান। রবীন্দ্র সাহিত্যকর্মের এক মূল্যবান সময় তিনি শিলাইদহ বসে কাটিয়েছেন। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে পৌছানোর কর্তা ব্যক্তিই যে তিনি নিজে। এখানে বসবাস করে শিলাইদহের মাটি মানুষকেও ধন্য করেছেন।

অরূপ রূপের অধিকারী শিলাইদহ জীবনে রবীন্দ্রনাথ জমিদারীর উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কেমন করে পল্লী ছেলে স্বয়ম্ভর হয়ে উঠতে পারে তা তিনি নিজে অগ্রণী হয়ে শিলাইদহে করেছেন। এই অঞ্চলে প্রথম গোল আলুর চাষ তিনিই শুরু করেছিলেন। বিভিন্ন প্রদেশ থেকে উন্নত ধান বীজ এনে কৃষকদের মাঝে বিতরণ, গুটি পোকার চাষ প্রভৃতি করেছেন। কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে চেয়েছিলেন। সাহিত্য সাধনা ও বিষয় সম্মতির অন্তরালে অবসরে কবি শিলাইদহ পল্লীর মানুষগুলোর কথা গভীরভাবে ভাবতেন।

ছিন্নপত্রে (শিলাইদহ ঃ ১০মে ১৮৯৩) লিখেছেনঃ ‘আমার এই দরিদ্র চাষী প্রজাগুলোকে দেখলে আমার ভারী মায়া করে। এরা যেন বিধাতার শিশু সন্তানের মতো নিরূপায়। তিনি এদের মুখে নিজে হাতে কিছু তুলে না দিলে এদের আর গতি নেই। পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায় তখন এরা কেবল কাঁদতে জানে, কোনমতে, একটুখানি ক্ষুধা ভাঙ্গলেই আবার তখনই সমস্ত ভুলে যায়।”

জমিদার রবীন্দ্রনাথের কাছে শিলাইদহ ঋণী আর রবীন্দ্রনাথ ঋণী শিলাইদহের কাছে। শিলাইদহ ছেড়ে চলে যাবার পরও কবি শিলাইদহকে মন থেকে মুছতে পারেন নি। ভালোলাগা বা বৈষয়িক কাজে আরো দুই-একবার তিনি শিলাইদহ এসেছিলেন। শেষবারের একখানা চিঠিতে লিখেছিলেন-“ ‘শিলাইদহ ঘুরে এলুম। পদ্মা তাকে পরিত্যাগ করেছে, তাই মনে হল বীণা আছে তার নেই, তার না থাকুক অনেক কালের অনেক গানের স্মৃতি আছে। ভাল লাগলো, সেই সঙ্গে মনকে মন উদাস হলো।’ শিলাইদহ কবির কাছে দীর্ঘশ্বাসের অঞ্জলি হয়ে থাকলো…।

এই মণীষীর স্মৃতিময় কুঠিবাড়ী ঘিরে প্রতি বছর রবীন্দ্র উৎসবের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত রবীন্দ্রভক্তদের পদচারণায় কুঠিবাড়ী প্রাঙ্গন মুখরিত হয়ে ওঠে। উপচে পড়া মানুষের ঢলের মধ্য দিয়ে শিলাইদহ কুঠিবাড়ীতে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী আড়ম্বরপূর্ণ ও বর্ণাঢ্যভাবে পালিত হয়। দেশখ্যাত গবেষক, সাহিত্যিক, লেখক, কবি ও অসংখ্য রবীন্দ্রভক্তদের পদচারণায় মুখরিত হয়। এছাড়াও শিলাইদহ কুঠিবাড়ীকে ঘিরে প্রতিবছর গ্রামীণ মেলাও জমকালো পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। জন্মজয়ন্তী ঘিরে কুঠিবাড়ী প্রাঙ্গনে বসে কুটিরশিল্প, হস্তশিল্প, তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্পসহ প্রায় শতাধিক স্টল। কবি গুরুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিলাইদহ সাজে এক বর্ণাঢ্য সাজে। কুঠিবাড়ীর মূলভবন, পুকুরপাড়, চারপাশের ঢেউখেলানো সীমানা প্রাচীর, মূল আঙ্গিনার ভেতর সরু পাকা রাস্তা, মুল ফটক, ফুলের বাগান, ডাকবাংলোসহ বিভিন্ন জায়গায় রঙের ছটা আর কুঠিবাড়ীর গায়ে হরেক রকম লাইট দিয়ে সাজানো হয় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি করে। দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ শিশু-কিশোর সহ সব বয়সি মানুষ কুঠিবাড়ী আঙ্গিনায় এসে সমবেত হয়।

পুরো এলাকা জুড়ে খন্ড-খন্ড আকারে আগত ভক্তরা শিলাইদহের কুঠিবাড়ীকে কোলাহল ও উৎসব নগরী করে তোলেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সরব অনুষ্ঠানাদি এবং গরম গরম জিলাপী, মিষ্টি,খই, তালশাঁস, খাগড়াই, ছাঁচ সহ অনেক মজাদার খাবারের স্বাদ গ্রহণ করে। দেশ বিদেশের অসংখ্য দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভীড়ে নাগরদোলা, ঘোড়ারবগাড়িতে চড়া থেকে অনেকেই বিরত থাকে না। প্রতিবছর বিভিন্ন পসরার পাঁচ শতাধিক স্টল বসলেও বইয়ের স্টল দেখাই যায় না।

সবকিছুই হয় নিয়মমত কিন্তু রবীন্দ্রভক্তদের দীর্ঘদিনের দাবী কুঠিবাড়ীকে পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরের বাস্তবায়ন স্বপ্নই থেকে যায়। বিদগ্ধ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা আশাহৃত চিত্তে বরাবরের মতই কুঠিবাড়ীটিকে পর্যটন কেন্দ্রের গড়ে তোলার দাবী উত্থাপন করেন। সকল রবীন্দ্রভক্তদের দাবী এখনই উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সার্বিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আমাদের শিখিয়েছেন, মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মনুষ্যত্ববোধ। সেই মানবিক মূল্যবোধ সকলের মধ্যে জাগ্রত করে এখানে সরকারী উদ্যোগে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার দাবী অসংখ্য রবীন্দ্রভক্তদের। আজ শতবছর পরেও রবীন্দ্রনাথের সকল সৃষ্টিকর্ম আমাদের কাছে নতুন ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর সাহিত্য সৃষ্টির স্বর্ণযুগের মধ্যে ১০-১২ বছর শিলাইদহের কুঠিবাড়ীতে বসবাস করা কালীন অনেক সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেছেন। ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজী অনুবাদ এখান থেকেই শুরু করেছিলেন। বাউল আঙ্গিকে অনেক গান লিখেছেন। কবি গুরু নগরজীবনে শত ব্যস্ততা সত্বেও বারবার ফিরে এসেছেন এই শিলাইদহের মাটিতে।

শিলাইদহকে ঘিরে প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী ও রবীন্দ্র ভক্তদের আগমন ঘটে। রবীন্দ্রভক্তরা অডিটোরিয়ামটি সচল করার দাবী ইতোমধ্যে তুলেছেন। ভক্তরা আক্ষেপ করতে শোনা যায়, রবীন্দ্রনাথকে ঘিরেই কুমারখালীর পরিচয়। তিনিই বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছেন। অথচ তাঁর স্মৃতি বিজড়িত কুঠিবাড়ী অনেকাংশে অবজ্ঞা ও অনাদারে পড়ে রয়েছে।

একটি বিস্তৃত পটভূমির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি যে সাহিত্য রচনা করেছিলেন, তা এদেশের সকল মানুষের মননের পথ দেখিয়ে গেছে। সাহিত্যের প্রত্যেক শাখায় রেখে গেছেন অনবদ্য অবদান। তাঁর সৃষ্টিকর্ম আমাদের সকল কাজে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ যোগায়। সেকারণে রবীন্দ্রভক্ত, পাঠক, গবেষকরা মনে করেন শিলাইদহ কুঠিবাড়ীকে একটি শিক্ষা-সংস্কৃতি নির্ভর পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট স্থানে সকল মানুষের প্রচেষ্টা থাকা দরকার। কুঠিবাড়ী থেকে মাত্র ৫-৬ কিঃমিঃ অদূরে পশ্চিমে কয়াতে রয়েছে যুগান্তরের নেতা বিপ্লবী বাঘা যতীন ও কথাশিল্পী আকবর হোসেন। ৫ কিঃ মিঃ অদূর দক্ষিণ পূর্বে কুমারখালী শহরে গ্রাম সংবাদের জনক প্রবাদ পুরুষ কাঙাল হরিনাথ মজুমদার, দক্ষিণ-পশ্চিমে কথাশিল্পী মীর মশাররফ হোসেন ও বিশ্ব লোককবি বাউল সম্রাট লালন শাহ। পর্যটন কেন্দ্র করার মত সব উপকরণ রয়েছে শিলাইদহের কুঠিবাড়ী ঘিরে। এতসব মণীষীদের দেখা পাবে একসঙ্গে পর্যটকরা।

রবীন্দ্র সৃষ্টিকর্মকে মূল্যায়ন ও জাগ্রত করতে পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি এখানে একটি রবীন্দ্র একাডেমী প্রতিষ্ঠা করাও জরুরী। যাকে ঘিরে সাহিত্য আর সাহিত্যিকের সম্মিলন ঘটবে এবং গবেষকদের কষ্ট কমে যাবে। এক সংযোগ সারস্বত সাধনায় মেতে উঠবে সকলে। তবেই না বাংলা সাহিত্য আরো ঐশ্বর্যবান হয়ে ওঠবে; জাগৃত হবে রবীন্দ্র ভক্ত, পাঠক ও গবেষক।

কুঠিবাড়ীতে প্রতিবছর পানীয় সমস্যা, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার অপ্রতুলতার দরুণ ভক্ত, গবেষক ও দর্শনাথীরা নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়। শুধু সরকারী উদ্যোগ নিলেই সকল সমস্যার সমাধান হবে না। এলাকার মানুষেরও এগিয়ে আসতে হবে তবেই দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারে। রবীন্দ্র গবেষকদের কুঠিবাড়ীতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার, তাহলে বাংলা সাহিত্য আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হবে। যেখানে একটা অডিটোরিয়াম, রবীন্দ্র একাডেমী সহ পর্যটনের যাবতীয় উপকরণ থাকা সত্বেও জাতীয় উদ্যোগে সরকারীভাবে পর্যটন কেন্দ্র রূপে বিশ্বদরবারে পরিচিত করা গেল না; সেখানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চিন্তা-ভাবনা অলীক স্বপ্ন কিনা—প্রশ্ন উঠতেই পারে! সংস্কৃতিই দেশের প্রাণ ও বিবেক। একে জাগ্রত না করা গেলে অপসংস্কৃতির আক্রমণে বাঙালি সংস্কৃতি তার গৌরব হারাবে।

ঐতিহ্য জাতিসত্তার শেকড়। একে বাঁচিয়ে রাখতেই হয়। রবীন্দ্রনাথের প্রথম কথা কি ছিল? তা অনেকের না জানা থাকলেও— শেষ কথা ছিল তাঁর “শেষ লেখা” গ্রন্থের শেষ বাক্যঃ “আরেকবার শিলাইদহ গেলে…”।কবির জীবন সায়াহেৃর আক্ষেপঃ ‘সবই তেমনি আছে কেবল আমার চির পরিচিত পদ্মা শিলাইদহ থেকে দূরে কোথায় চলে গেছে, তার আর নাগাল পাওয়ার জো নাই।’ কবির এই করুণ আর্তি লোকসংস্কৃতির ভান্ডারর শিলাইদহের মাটির স্বাদ কি কখনো কেউ ভুলে থাকতে পারে? না ভোলা যায়! শিলাইদহে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র একাডেমী ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলেই কেবল পিপাসা মিটবে রবীন্দ্র ভক্তদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

সাবস্ক্রাইব

spot_img

সম্পাদকের নির্বাচিত

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

স্ত্রীর চোখে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

মানব চক্রবর্তী: কত বছর বয়সে আপনার বিবাহ হয়েছিলো? কমলা বন্দ্যোপাধ্যায়:...

নিরাপদ জীবন অদেখা ভূবন

অদেখা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তই বদলে দেয় জীবন ও...

বাংলাদেশে প্রফেশনাল আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফির একজন পথ প্রদর্শক

শরীফ সারওয়ার বাংলাদেশের আন্ডারওয়াটার এবং আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে অনন্য...

আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফির কবি : শরীফ সারওয়ার

বাংলাদেশের প্রায় সমান বয়সী আন্ডার ওয়াটার ফটোগ্রাফার শরীফ সারওয়ার...